
জনমানুষের জীবিকাকে প্রাধান্য দিয়ে, লকডাউন শিথিল হওয়ায় এখন রোজকার চলাফেরায় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই- বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হলে, আগামীতে সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশংকা তাদের। এ অবস্থায় ব্যক্তি সচেতনতাই মহামারির প্রকোপ ঠেকানোর একমাত্র হাতিয়ার।
করোনার প্রকোপে, গতমাস থেকে দেশে আশংকাজনক হারে বেড়েছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। সংক্রমণ ঠেকাতে ঈদের পর টানা ২০ দিন কঠোর বিধিনেষেধ বাস্তবায়নে শেষে মানুষের জীবিকা স্বার্থে বুধবার থেকে আবারো খুলে দেয়া হচ্ছে সবকিছু। তবে কঠোরভাবে স্বাস্থবিধি না মানলে পরিস্থিতি হতে পারে আরো ভয়াবহ।
এ মুহুর্তে লকডাউন তুলে নেয়ার সিদ্ধান্তকে আপাতত নেতিবাচক হিসেবেই দেখছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আর তাই স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই, বলে মনে করেন তারা।
সবকিছু উন্মুক্ত হওয়ার পর নিত্যদিনের জনচলাচলে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আগামীতে আরো খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে বলেও সতর্ক করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আর তাই সরকারের নির্দেশনার পাশাপাশি, জনসাধারণকেও নিজ দায়িত্বে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান তাদের।
বাংলাটিভি/ এস



