কুমিল্লায় মিশ্র ফলের চাষ করতে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা

কুমিল্লায় মিশ্র ফলের চাষ করতে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। ১২ মাস ফল পাওয়া যায় এরকম গাছের চারা রোপণ করতে দেখা যাচ্ছে অধিক হারে। অনেকেই শখের বশে বাগানগুলো করলেও সরকারি সহায়তা পেলে বানিজ্যিক ভাবে চাষ করার আগ্রহ জানিয়েছেন। কৃষি কর্মকর্তারা জানান,১২ মাস ফল পাওয়া যায় বলে, এসব বাগান মালিকরা সারাবছরই অর্থ উপার্যন করতে পারছেন।
কৃষি পণ্য উৎপাদনের উর্বর ভূমি কুমিল্লা। এ অঞ্চলের কৃষিজাত পণ্য দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষের চাহিদা পূরণ করে। খাদ্য শস্য উৎপাদনের পাশাপাশি, ফল চাষেও এগিয়ে, এ জেলার কৃষকরা। বর্তমানে কুমিল্লার প্রায় সবকটি উপজেলায় দেখা যায় মিশ্র ফলের বাগান। দেশীয় ফলের পাশাপাশি, বাগানগুলোতে অবাধে হচ্ছে, বিভিন্ন ধরনের বিদেশী ফল। ড্রাগন ফ্রুট,স্ট্রবেরীসহ বিভিন্ন ধরনের ফল পাওয়া যায় এসব বাগানে। তবে মাল্টা ও বিভিন্ন ধরনের আম, বেশী চোখে পরে।
অর্থের পাশাপাশি পুষ্টি চাহিদাও পূরন করছে এসব ফল বাগান। অনেকেই প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু করলেও,যখন মুনাফা পাচ্ছেন,তখন বড় পরিসরে বানিজ্যিকভাবে বাগান করছেন।
এসব বাগান করে চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে জানিয়ে, তাদের পাশে রয়েছে বলে জানায়, কৃষি অধিদপ্তর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই। মিশ্র ফল চাষ, ফলের চাহিদা মিটিয়ে দিবে অর্থের জোগান, পাশাপাশি ঘাটতি পূরণ করবে অক্সিজেনের ।
ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/এস



