দেশবাংলা

সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে স্থায়ী জায়গাসহ আর্থিক প্রণোদণা চান বেদেরা

বেদেদের জীবনযাপন ছিলো যাযাবরের মত।নির্দিষ্ট কোনো ঘরবাড়ি না থাকায় একসময় নৌকায় কাটতো তাদের দিন।সাপের খেলা দেখানো,কবিরাজি, চুড়ি,ফিতা বিক্রি ছিল তাদের পেশা।করোনায় আয় বন্ধ থাকায় ভালো নেই ভাসমান বেদেপল্লির পরিবারগুলো। স্থায়ী বাসিন্দা না হওয়ায়, আর্থিক সহযোগিতাসহ পাচ্ছেনা, করোনাকালীন প্রনোদণাও। সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে বসবাসের জন্য স্থায়ী জায়গাসহ আর্থিক প্রণোদণার দাবী তাদের।

নরসিংদীর অন্যতম শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত ঘোড়াশাল।এখানে শুরু থেকে হাতেগোনা কয়েকটি বেদে পরিবার থাকলেও, এখন পরিবারের সংখ্যা প্রায় তিন শতাধিক।প্রথমে অন্যের পতিত জমিতে বসবাস করলেও,লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকেই শীতলক্ষায় নৌকায় ভাসমান অবস্থায় এবং নদীপাড়ে ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।তবে যুগ যুগ ধরে এখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও,তারা পাচ্ছেননা সুপেয় পানি,বিদ্যুৎ,শিক্ষা,চিকিৎসাসহ বাসস্থানের সুযোগ।

তাদের বসবাসের উপযোগী একটি জায়গা খোঁজা হচ্ছে।পাশাপাশি সরকারী সহায়তা পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান,ঘোড়াশাল পৌর মেয়র।

এদিকে, শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের ব্রক্ষপুত্র ব্রীজের পাশে বসবাস করছেন বেদেপল্লির ৪০টি পরিবার। এছাড়াও জেলার অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, আরো প্রায় ৬০টি পরিবার।

বেদে সদস্যরা বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে,হাট-বাজারে ঘুরে ঘুরে মজমা বসিয়ে সাপের খেলা,বানর খেলা ও তাবিজ,মাধুলি বিক্রি করে, অর্থ উপার্জন করতেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে আয় বন্ধ হওয়ায়, কষ্টে দিন পার করছে পরিবারগুলো।

দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা।যুগ যুগ ধরে মৌলিক চাহিদাগুলো থেকে বঞ্চিত হওয়ায়, জাতির মূল শ্রোতধারা থেকে পিছিয়ে আছে,এ সম্প্রদায়টি।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি/ এস

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button