
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের নাম ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ, জিমেইল ও ফেসবুক একাউন্ট খুলে প্রতারণার অভিযোগে মো. আরিফ মাইনুদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।
সিআইডির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের একটি বিশেষ দল সোমবার রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. আরিফ মাইনুদ্দিন নামের ৪৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে চারটি মোবাইলফোন এবং পাঁচটি সিমকার্ড জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার আরিফ ম্যারেজ ডট কম নামের একটি কোম্পানির আড়ালে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের নাম, ছবি ও পদবী ব্যবহার করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ইমেইল, ট্রুকলার, আইকন, হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রাতারণা চালিয়ে আসছিলেন বলে জানান মঙ্গলবার সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক ইমাম হোসেন।
“তিনি বিভিন্ন দপ্তর, বাণিজ্যিক ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ফোন করে নিজেকে আইজিপি হিসাবে পরিচয় দিয়ে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করতেন।”
সংবাদ সম্মেলনে ইমাম হোসেন আরো জানান, আরিফ মাইনুদ্দিনের কাছ থেকে জব্দ করা একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে জিমেইল অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল বেনজীর আহমেদ নাম দিয়ে। সেই ইমেইল আইডির নাম ছিল benazir.igp@gmail.com. তারপর মোবাইল ফোনের অন্যান্য অ্যাপে আইজিপির নামে প্রোফাইল খোলেন তিনি। ফলে ওই মোবাইল থেকে তিনি যখন অন্য কোনো মোবাইলে ফোন করতেন, তখন অপরপ্রান্তে ট্রুকলার বা অন্যান্য অ্যাপে আইজিপির নাম, ছবি ও পদবী ভেসে উঠত।
“আরিফ নিজের নামে সিম রেজিস্ট্রেশন না করে তার এক কর্মচারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে এ ধরনের প্রতারণা করে আসছিল। তার কাছে এমন আরও অনেক সিম আছে। আমাদের ধারণা, শুধুমাত্র ইন্সপেক্টর জেনারেলই না, আরও কয়েকজন সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করেও তিনি প্রতারণা চালিয়েছেন। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।”
গ্রেপ্তার আরিফ মাইনুদ্দিনের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে।
বাংলাটিভি/ সাকিব



