
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে পরিবারের করা আবেদন এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) তার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌছায়।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে মতামত চূড়ান্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আইন মন্ত্রণালয়। আইন মন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসার পরে আবেদনটি আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য মতামতসহ আবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠাবে।
তবে এ নিয়ে খোলাসা করেননি আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, আবেদনটি যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে ততক্ষণ কি মতামত দেয়া হয়েছে তা বলা সম্ভব নয়।
গত সপ্তাহে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ভাই শামীম এস্কান্দার। এদিকে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম জানিয়েছেন, মুক্তি পেলে খালেদা জিয়া পালিয়ে যাবেন না।
এদিকে প্রথম দফা মুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে এলে গত বছরের ২৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থায়ী মুক্তি চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদন বিবেচনা করে সরকার দ্বিতীয় দফায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ মাসের জন্য তার মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। যা ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়।
এরপর ৩০ অক্টোবর এ মামলায় আপিলে তার আরও ৫ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত।
বাংলাটিভি/ সাকিব



