
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার ১ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দেশের কোন বিমানবন্দরে র্যাপিড পিসিআর মেশিন বসাতে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এটা তাদের কাজ নয় বলে দায় চাপাচ্ছেন প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের দিকে। এদিকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলছেন বিমানবন্দরে পিসিআর মেশিন বসানোর প্রক্রিয়া চলছে, কিন্তু কবে নাগাদ বসবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন মন্তব্য করেন নি।
দেশের সব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার জন্য তিন দিনের মধ্যে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ১ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই চোখে পড়ার মত।
বিমানবন্দরে কবে নাগাদ র্যাপিড পিসিআর টেস্ট ল্যাব স্থাপন করা যাবে-সে বিষয়ে তথ্য নেই কারো কাছে। তবে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে ইতোমধ্যে, এমনটাই জানালেন শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক হলেন তৌহিদ-উল আহসান।
অগ্রগতির জানতে চাইলে পুরো বিষয়টি সিভিল এভিয়েশন ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপর দায় চাপালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর এখনো কেন কাজে অগ্রগতি নেই, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বললেন, দাপ্তরিক কাজ প্রায় শেষের পথে।
তবে ব্যাপারটা গুরুত্বের সাথে নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী।এদিকে, র্যাপিড পিসিআর টেস্ট মেশিন না থাকায় বিপাকে পড়েছেন আরব আমিরাতগামী যাত্রীরা। কারণ দেশটি নির্দেশনা দিয়েছে বিমানবন্দরে র্যাপিড পিসিআর টেস্টের ব্যবস্থা না থাকলে আরব আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবে না বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশের নাগরিকরা।
বাংলাটিভি/শহীদ



