ভোলায় ব্রি হাইব্রিড-৬ জাতের আমন ধান চাষে সফল কৃষকরা

ভোলায় প্রথমবারের মত ব্রি হাইব্রিড-৬ জাতের আমন ধান চাষে সফল কৃষকরা। ক্ষেতে রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায়,স্বল্পখরচে অধিক ফসল পাচ্ছেন তারা। আগামী বছর আরো বেশি পরিমাণ জমিতে এ জাতের ধান চাষ করতে আগ্রহী চাষীরা। কৃষি বিভাগ বলছে,আসছে বছর এ জাতের ধান চাষ করে অতিরিক্ত চাহিদা মেটানো সক্ষম। ভোলা থেকে জুয়েল সাহা বিকাশের প্রতিবেদন।
ভোলার দুই উপজেলার ৭০ হেক্টর জমিতে প্রথমবারের মত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগীতায় ব্রি হাইব্রিড-৬ জাতের আমন ধান আবাদ করা হয়। ক্ষেতে রোপনের ১২০ দিনের মধ্যে এই ধান কাটার উপযোগী হয়। ক্ষেতে রোগ,পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায় সার-কীটনাশকও কম লাগে। কম খরচ ও কম পরিশ্রমে অধিক ধান উৎপাদন হওয়ায় ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন সদর ও চরফ্যাশন উপজেলার দুই শতাধিক কৃষক ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান,আগামীতে এ জাতের ধান চাষ করে অতিরিক্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব।ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে এবছর জেলার সাত উপজেলার ১ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২ হাজার ৩৫৫ হেক্টর বেশি।
বাংলাটিভি/শহীদ



