বাংলাদেশআওয়ামী লীগরাজনীতিসরকার

যারা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী নয় তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না: কাদের

গণতন্ত্রের নামে যারা নির্বাচন বিমূখ, যারা জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী নয়,যারা ক্ষমতায় থাকাকালে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে এবং সোয়া এক কোটি ভূয়াভোটার সৃষ্টি করে -তারাই আবার গণতন্ত্রের কথা বলে!

ওবায়দুল কাদের আজ বৃহষ্পতিবার সকালে তাঁর বাসভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এক  প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের  বিএনপি নেতাদের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দল হিসাবে আপনারা কি ভূমিকা রেখেছেন?

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সম্মুখ যাত্রায় পদে পদে যারা বাধা তৈরি করে, তারাই আবার গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্না করছে। গণতন্ত্রের বিকাশ এবং গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দল হিসেবে আপনারা (বিএনপি) কোন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,সব সময়ে শুধু গণতন্ত্রের কথা বলেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে কেন আপনি সংসদে গেলেন না ?  জনমতকে অসম্মান কে দেখালো – সরকার না আপনারা।

বিএনপির রাজনীতি অস্থিরতা পূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অস্থিরতা ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অস্থিরতা, এ অস্থিরতার কারণে বিএনপি ক্রমশ হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে। বিএনপি নিশ্চিত হয়েছে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারবে না, সেজন্য তারা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। বিএনপি উসকানি দিয়ে নানা অঘটন ঘটিয়ে সরকারের উপর দায় চাপাতে চায়।

আগামীকাল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহি কমিটির সভার আলোচ্য বিষয় সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে এবং চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়েও আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা বিদ্রোহ করছে এবং বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছে তাদের ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে,কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য।

বুধবার টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানীর সমাধিস্থলে নবগঠিত দল বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ নেতৃবৃন্দের উপর হামলার ঘটনা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক  দুঃখজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে  বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button