অন্যান্যবাংলাদেশ

সুনামগঞ্জে ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত

গত ১ এপ্রিল থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সুনামগঞ্জে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২০৯ মিলিমিটার। এ কারণে বন্যার সৃষ্টি হয়ে ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হাওরে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগাম বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আমাদের তিনটি স্থানে ভাঙন হয়েছে। ফসলের ক্ষেত্রে ২ লাখ ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন হয়। বৃষ্টি-বন্যায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১০ দিনের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন দেবে।

সুনামগঞ্জের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প ৫০ কোটির উপর হলে সমীক্ষার প্রয়োজন আছে। সুনামগঞ্জের জন্য প্রকল্প নিয়েছি ৪৯৪ কোটি টাকার। নদী খননের জন্য ১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন। একনেকে পাস হলে নভেম্বরে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।তিনি আরও বলেন, আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। আগামী বছর থেকে এ সমস্যা হবে না।

হাওর এলাকায় বার বার বাঁধ ভাঙার মতো অভিযোগ আসে, কিন্তু জড়িতদের শাস্তি হয় না- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে এমন ৮ জন প্রকৌশলীকে কিন্তু আমরা সাসপেন্ড করেছি। এটা আইনের মাধ্যমে করতে হবে। নিয়মের বাইরে কিন্তু কাউকে সাসপেন্ড করতে পারব না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাঁধ নির্মাণ এলাকায় যার জমি আছে সে সেখানকার কমিটির সভাপতি। আরো চার জন যাদের জমি আছে, তারা মেম্বার। সেখানকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মেম্বার করা হয়। মসজিদের ইমামকেও মেম্বার করা হয়। এখন আমাদের প্রকৌশলীর হাতে কিছু নেই। কমিটিগুলোও ইউএনও করেন। প্রকৌশলীরা টেকনিক্যালি অ্যাডভাইস দেন। এখানে দুর্নীতির প্রশ্ন আসে না।এসময় উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাটিভি/জাবেদ ‍

 

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button