৭ মাসের সংসার, গৃহবধূকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল স্বামীর ঘরে

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা এলাকার পরকট ইউনিয়নের পূর্ব শশালিয়ায় স্বামীর ঘর থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মাত্র সাত মাস আগে রামগঞ্জ উপজেলার ডল্টা গ্রামের ২১ বছর বয়সী শিখা আক্তার-এর সঙ্গে বিয়ে হয় খোরশেদ আলমের। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সংসারে অশান্তি শুরু হয় এবং শিখা ধীরে ধীরে নিঃশব্দ ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে থাকেন।
শিখার বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা দাবি করেন, তার মেয়েকে মানসিক নির্যাতন করা হতো এবং যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হতো। এসব কারণেই তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন এবং স্বামী খোরশেদ আলমকে দায়ী করেন।
অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিখা মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং প্রায়ই বাবার বাড়িতে থাকতেন। তাদের ভাষ্য, মানসিক সমস্যার কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও বলেন, শিখার আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যেত।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে পরিবার দায় চাপাচ্ছে স্বামীর ওপর, অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।



