বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিলেন অমিত শাহ

বাংলা টিভি ডেস্ক: পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তকে ‘অভেদ্য’ করতে এবং অনুপ্রবেশ রোধে নতুন প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার। শিগগিরই ড্রোন, রাডার, স্মার্ট ক্যামেরা ও অন্যান্য আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শনিবার (২৩ মে) দিল্লিতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) ইনভেস্টিচার সেরিমনি এবং রুস্তমজি মেমোরিয়াল লেকচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকাগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন্বিত সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।
অমিত শাহ যোগ করেন, ‘সীমান্তকে স্মার্ট বর্ডারে রূপান্তর করতে সরকার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। স্মার্ট বর্ডার ধারণার আওতায় সব ধরনের প্রযুক্তি একত্রিত করে আগামী এক বছরের মধ্যে একটি অভেদ্য সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুব শিগগিরই ড্রোন, রাডার, আধুনিক ক্যামেরা এবং অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি স্মার্ট বর্ডার প্রকল্প চালু করবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিএসএফের কাজ অনেক সহজ এবং আরও শক্তিশালী হবে।’
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সীমান্তকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ‘উদ্বেগের কারণ’ হিসেবে উল্লেখ করে শাহ বলেন, এই দুই সীমান্ত প্রচলিত পদ্ধতিতে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বর্তমানে এসব সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ, গবাদিপশু পাচার, জাল ভারতীয় মুদ্রা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো হুমকি রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের বিপদ চিহ্নিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সীমান্তের ওপার থেকে কৃত্রিম জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা রোধ করা আমাদের দায়িত্ব। এজন্য আমাদের সর্বদা সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধ করতেই নয়, বরং প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে দেশ থেকে বহিষ্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।



