
||বাংলা টিভি অনলাইন||
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার খালেদার জিয়ার অনুপস্থিতে চালানোর প্রশ্নে তার আইনজীবীদের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে জিয়া চ্যারিটেবল মামলা চালাতে আর আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ আপিলটি খারিজ করে নিষ্পত্তি করেন।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানিয়েছেন,সর্বোচ্চ আদালতের এ রায়ের ফলে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করতে কোনো আইনগত বাধা নেই। আজ এ মামলার রায় হতে পারে।
বিচারিক আদালতে এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ধার্য রয়েছে।
খালেদা জিয়া বিচারিক আদালতে আসতে অনীহা প্রকাশ করায় তার অনুপস্থিতিতে ১৬ অক্টোবর রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন বিচারক।
এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার ৫ বছর সাজা হয়। খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় সম্প্রতি তাকে পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছর সাজা হতে পারে খালেদা জিয়ার।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের এ মামলা করা হয়।
অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
এর মধ্যে হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক। এই মামলার কয়েকটি ধার্য তারিখে আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেনি।
৪ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারের একটি কক্ষকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করে। পরদিন ৫ সেপ্টেম্বর সেখানে আদালত বসে।
কারাগারে থাকা খালেদা জিয়া সেদিন আদালতে হাজির হয়ে আদালতকে বলেছিলেন, এ আদালতে ন্যায়বিচার নেই। তিনি অসুস্থ। আদালতে আসবেন না।
যতদিন ইচ্ছা আদালত তাকে সাজা দিতে পারেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন বিচারক।
বাংলাটিভি/এসএম/এবি



