
সংবাদমাধ্যম, রাজনীতিবিদ, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষার্থীদের দমন-নিপীড়নের সমালোচনা ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসার করছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে পার্লামেন্টের বিতর্কের পর নেয়া প্রস্তাবে এসব মতামত জানানো হয়।
প্রস্তাবে গণ-গ্রেফতার, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, সুশীল সমাজের নাগরিকদের ওপর নির্যাতনসহ এ ধরনের ঘটনার নিন্দা জানানো হয়। এছাড়া,সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান ও আইনজীবী মীর আহমেদ বিন কাশেমের গুমের ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গ্রেফতার ও সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে নজরদারি। সেই সাথে সরকারের সমালোচনা করায় সংবাদকর্মী ও ব্লগাররা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন উল্লেখ করে তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারার সমালোচনা করে বলা হয়,বাংলাদেশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৪৬তম।
বলা হয়, বাংলাদেশে নারী ও শিশুরা সহিংসতার শিকার। ২০১৭ সালে পাশ হওয়া বাল্য বিবাহ আইনে ‘বিশেষ অবস্থায়’ বিয়ের ব্যাপারে বলা হয়েছে। যা পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তাই এই আইন অপব্যাখ্যার সুযোগ থেকে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে অব্যাহতি পাচ্ছে। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতি ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশ শুল্ক ও কোটা-মুক্ত সুবিধা পেতে পারে কিনা তা যাচাই করার কথা বলা হয়।
এছাড়া, প্রস্তাবে মিয়ানমারে সহিংসতার শিকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া ও পরিস্থিতিতে মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করা হয়। রোহিঙ্গাদের জন্য আর্থিক ও ত্রাণ সাহায্য বাড়াতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাটিভি/এসএম/এবি



