অন্যান্যবাংলাদেশ

ভালো কলেজে ভর্তির আসন সংকট হবেনা

২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ভাল কলেজে ভর্তি হতে এবার আসন সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক। সারাদেশে সাধারণ কলেজগুলোতে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখের মতো আসন খালি থাকবে বলেও এ সময় জানান তিনি ।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। এরমধ্যে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ১২ই মে থেকে এবং সময় শেষ হবে আগামী ২৩শে মে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এবার অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা যাতে প্রতারণার শিকার না হয় সেজন্য আবেদনের সময় অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিতে হবে।আমাদের ভালো ক্যাটাগরির যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোতেই আমরা সকল শিক্ষার্থীকে ভর্তি করতে পারব।’

কলেজ সম্পর্কে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের স্পষ্ট ধারণার জন্য সারাদেশের কলেজগুলোকে এবার এ, বি ও সি এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।

তিন ক্যাটাগরির মধ্যে, যে কলেজগুলোতে গত শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কমপক্ষে ৬০০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল এবং এইচএসসিতে পাসের হার কমপক্ষে ৭০ শতাংশ ছিল সেগুলো ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত হবে। যেসব কলেজে অন্তত ৬০০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল এবং পাসের হার ৭০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে সেগুলো ‘বি’ শ্রেণির এবং যেগুলোতে পাসের হার ৫০ শতাংশের কম, আবার শিক্ষার্থীও ৬০০ জনের কম, সেগুলো ‘সি’ শ্রেণিভুক্ত হবে। তিনি আরও বলেন,ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যে ২৯ হাজার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী আছে এর মধ্যে কেউ ৮০ নম্বর করে পেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে আবার কেউ ৯০ নম্বর করে পেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। কাজেই এই ২৯ হাজার শিক্ষার্থীর আবার র‌্যাংকিং হবে। কেউ যদি দেখে তার র‌্যাংকিং ২৫ হাজার তাহলে সে এই ক্যাটাগরি দেখে সে সিদ্ধান্ত নেবে কোন ক্যাটাগরির কলেজে সে ভর্তি হতে পারবে।’

শুধু ঢাকাতেই এ শ্রেণির কলেজ আছে ৮২ টি। যেখানে আসন সংখ্যা প্রায় এক লাখ।

 ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন,কলেজগুলো তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করার যে তালিকাটি রয়েছে তা আমাদের ভর্তি সংক্রান্ত যে ওয়েবসাইট আছে সেখানে দেয়া থাকবে। শিক্ষার্থী যখন আবেদন করবে তখন সে এই তালিকা দেখে তার কলেজ সে পছন্দ করতে পারবে।

এছাড়া এবার প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনের কোনো প্রয়োজন হবেনা বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা যে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে আগ্রহ প্রকাশ করবে বা তার সুবিধামতো যে প্রতিষ্ঠান আছে সেই প্রতিষ্ঠানেই তাকে ভর্তি করা হবে।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close