চীনের সাথে ৭টি চুক্তি সই

আইসিটি, বিদ্যুৎ ও পানিসম্পদসহ চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ৭টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এর আগে,দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১১ টার দিকে শেখ হাসিনা গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান লি কেকিয়াং। এ সময়, তিয়েনআনমেন স্কয়ারে গ্রেট হলের সামনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। এরপর সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার দেয়। অভ্যর্থনার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়।
পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং এর উপস্থিতিতে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধানে দেশটির রাষ্ট্র প্রধানদের সাথে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে, গেল মঙ্গলবার চীনের দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে এবং ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতির মূল উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে পাঁচ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।
চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তার মেয়ে বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।
অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকার প্রধান, ব্যবসায়ী, সুধী সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং শিল্পীসহ প্রায় এক হাজার ৮শ’র বেশি প্রতিনিধি যোগ দেন। এই সম্মেলন থেকে বিশ্ব পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা, অর্থনৈতিক অসমতা এবং প্রযুক্তিগত সংকটের বিষয়ে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাটিভি/শহীদ



