অর্থনীতিদেশবাংলাস্লাইডার

অচল অবস্থায় ভোলা বিসিকের কার্যক্রম

গ্যাস-সংযোগ না পাওয়ায়

প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে ভোলার বিসিকের কার্যক্রম। বিশেষ করে গ্যাসের সংযোগ না পাওয়ায় অনেকেই কারখানা চালু করতে পারছেন না। বিসিক শিল্প নগরীর ৯৩ টি প্লটের মধ্যে মাত্র ৪ টি প্লটে ক্ষুদ্র শিল্প কারখানার চলছে। বাকিগুলো অচল অবস্থায় পড়ে আছে। গ্যাস সংযোগ পেলে সকল সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয় দেশের প্রতিটি জেলায় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) গড়ে তুলেছে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৯২ সালে ভোলায়ও বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ২৭ বছরেও এ শিল্প নগরীটি কার্যকর হতে পারেনি। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ,গ্যাস ও রাস্তাঘাট না থাকায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে ভোলার বিসিক শিল্প নগরীতে।

বর্তমানে এখানে পুরোনো প্লাস্টিক বোতল ভাঙ্গা, বিস্কিটের পলি তৈরি এবং ময়দার মিল আর মাটিয়া তৈলের ৪ টি কারখানা চালু রয়েছে। অথচ বিসিকের ৯৩ টি প্লটের মধ্যে ৭২ টি প্লট শিল্প কারখানার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যারা এসব প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন, তাদের অনেকেই প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা না থাকায় কারখানা প্রতিষ্ঠা করেননি। দু’একজন কারখানা করেও লোকসানের কারণে বন্ধ করে দিয়েছেন। কেউ কেউ কারখানা তৈরী করেও, গ্যাস সংযোগ না পাওয়ায় চালু করতে পারছেন না।

বিভিন্ন কারখানা মালিক ও কর্মচারীর পক্ষ থেকে গ্যাস সংযোগসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন ভোলা বিসিকের ভারপ্রাপ্ত উপ-ব্যবস্থাপক এমাদুল হোসেন। তিনি বলেন, গ্যাস সংযোগ হলো একটি শিল্প নগরীর প্রধান এবং অন্যতম উপাদান। এছাড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানি ও পদক্ষেপ গ্রহনের পাশাপাশি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা জরুরী এবং সেটা যতো তাড়াড়াড়ি সম্ভব।

তবে ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিসিককে সচল করতে গ্যাস সংযোগের পাশাপাশি পরিবেশ উন্নয়ন এবং সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারের আশ্বাস দেন, ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক।

বাংলাটিভি/ সৌরভ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close