অপরাধবাংলাদেশ

অবাধে সিম ক্রয় করতে পারছেন রোহিঙ্গারা

হাতে নামী-দামী ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন

আমিনুল হক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পগুলোতে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের হাতে শোভা পাচ্ছে নামী-দামী ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন। স্থানীয় কিছু মোবাইল ব্যবসায়ী টাকার বিনিমিয়ে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন, মোবাইল ও সিম। এনিয়ে প্রশাসনের কোন তৎপরতা না  থাকায় মোবাইল ব্যবহার করে সাইবার ক্রাইমসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

তবে গেল ২৫শে আগষ্ট রোহিঙ্গা আগমনের ২বছর পূর্তিতে ৫ লাখ রোহিঙ্গা নিয়ে সমাবেশ করায় টনক নড়ে সরকারের। পরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে মোবাইল নেটওর্য়াক বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। তবে এ পদক্ষেপ কতটুকু সফল হবে, তা এখন দেখার বিষয়।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গাদের চালচলন ও অন্যান্য বিষয়ে এসেছে আভিজাত্য। তারই একটি নমুনা স্মার্ট ফোনের ব্যবহার।বাংলাদেশে আসার ২ বছরের মধ্যে ৬-৭ লাখ রোহিঙ্গা বিশেষ কৌশলে আয়ত্ব করে নিয়েছে সিমকার্ড ও স্মার্ট ফোন। আর এর মধ্যদিয়ে সাইবার ক্রাইমে জড়িয়ে খুন, অপহরন, মাদক ব্যবসা ও ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারসহ বহির্বিশ্বের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে।

এ ছাড়া ফোন ব্যবহার করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ২৫ আগষ্ট বড় ধরনের সমাবেশর আয়োজন করে তারা। যদিও তাদের এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অবাধ যোগাযোগ সীমিত রাখতে ক্যাম্পগুলোতে নেটওয়ার্ক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগই মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে এগুলো কিনছেন স্থানীয় দোকান থেকে। সহজে মোবাইল ও সীম হাতে পেয়ে, অল্প সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে উঠছেন রোহিঙ্গারা।

তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ না করা হলে, প্রত্যাবাসন বিরোধী কর্মকান্ডসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার আশংকা স্থানীয়দের।

মোবাইল অপারেটরের কার্যক্রম মনিটর করাসহ স্থানীয় মোবাইল ও সিম বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো:কামাল হোসেন।

নেটওর্য়াক বন্ধ করলে ভোগান্তি বাড়বে স্থানীয়দের। তাই বন্ধ নয়, রোহিঙ্গাদের মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করে তাদেরকে যারা বাংলাদেশি রেজিষ্ট্রেশন করা সিম বিক্রি বা সরবরাহ করেছে তাদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন সাধারন মানুষ।

বাংলাটিভি/ সৌরভ নূর

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close