
‘অর্থ লেনদেনের বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট একটি গল্প’। টাকা পয়সা নিয়ে ছাত্র লীগের সাথে আমার কোনো কথা হয়নি বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।
উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ছাত্রলীগ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গল্প ফেঁদেছে। আমি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলাম। তদন্তে আমার কোনো সমস্যা নেই।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের মূল উদ্দেশ্য ছিল তারা ঠিকাদারের কাছ থেকে কিছু কমিশন নেবে। কিন্তু এ বিষয়ে তারা আমার কাছে এসে হতাশ হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা খোলা চিঠি লিখেছে। এ বিষয়ে আমি তদন্ত করতে আমি মাননীয় আচার্যকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও তার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম ধাপের ৪৫০ কোটি টাকার মধ্যে ২ কোটি টাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের মধ্যে ভাগাভাগি করে দেয়া হয়। এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের এ অভিযোগ তদন্তসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় ক্যাম্পাসে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন উপাচার্য। গত বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি। আলোচনায় আন্দোলনকারীদের দুই দফা দাবি মেনে নিলেও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে আগামী বুধবার পর্যন্ত সময় নেন।
বাংলাটিভি/ এসনূর



