যৌন ও শারীরিক নির্যাতনেই নাজমার মৃত্যু হয়

দীর্ঘ দুইমাস সৌদি আরবের হাসপাতালে পড়ে থাকার পর, দেশে আনা হয়েছে মানিকগঞ্জের নাজমার মরদেহ। যৌন নিপীড়নসহ শারিরিক নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।
ক্লিনার ভিসার কথা বলে গৃহকর্মী হিসেবে দেশটিতে পাঠানোয়, প্রতারণার অভিযোগ এনে, দালাল সিদ্দিককে আসামী করে মানিকগঞ্জ জুটিশিয়াল কোর্টে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
মানিকগঞ্জের নাজমা ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় পাড়ি জমান মরভুমির দেশ সৌদি আরবে। পরে, যৌন নিপীড়নসহ শারিরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত্যুর আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনালাপে নাজমার কণ্ঠে ছিল, শুধু বাঁচার আকুতি।
দীর্ঘ দুই মাস সৌদি আরবের হাসপাতালে মৃতদেহটি পরে থাকার পর, বৃহস্পতিবার রাতে ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির সহযোগিতায়, সৌদি এয়ার লাইনন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নাজমার মরদেহ এসে পৌছায়।
সেখান থেকে মরদেহ গ্রহণ করে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাবার পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন স্বজনেরা।
ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির তথ্যনুযায়ী, চলতি বছরেই কর্মক্ষেত্রে প্রাণ হারানো ১১৯ জন নারীর মরদেহ দেশে এসেছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবিত ফিরেছেন ৮৫০ জন নারী শ্রমিক।
জাউল করিম, সিংগাইর প্রতিনিধি



