
বিনিয়োগকারীদের কোন আস্থা নেই দেশের পুজিবাজারে। দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, এবং দুষ্টচক্রে ঘেরাটপে আবদ্ধ দেশের পুজিবাজার। দেশের সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের আর দায়িত্বশীল ভুমিকাও সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি, মত সিপিডির। দেশের উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে সেভাবে রাজস্ব আহরণ বাড়েনি বলেও মনে করে প্রতিষ্ঠানটি। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মলেনে এর প্রারম্ভিক মুল্যায়ন তুলে ধরা হয়।
দেশে রাজস্ব আহরণ, পুজিবাজারে অস্থিরতা, ব্যাংকিং সেক্টর হুমকির মুখে এবং বৈদেশিক বানিজ্যিক ভারসাম্যে অসামঞ্জস্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয় ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের উন্নয়নে স্বাধীন পর্যালোচনায়।
দেশের উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে সেভাবে রাজস্ব আহরণ বাড়েনি। এ অবস্থা চলতে থাকলে এ অর্থবছরে বড় ধরনের রাজস্ব ঘাটতির আশংকা রয়েছে বলে জানিয়েছে সিপিডি।
বলা হয়, মুলধনের অপর্যাপ্ততা, তারল্য সংকট ও বড় ধরনের ঋন খেলাফির কারণে দেশেল অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে কাঙ্খিত উন্নতি হচ্ছে না। এ সময় পুজিবাজারের অবস্থা ও তা কাটাতে করণীয় নিয়ে নিজেদের পরামর্শও তুলে ধরে সিপিডি।
প্রবাসী আয় ইতিবাচক হলেও স্কীল কম থাকায় সেটাও পর্যাপ্ত নয় বলেও সিপিডির গবেষণা উঠে এসেছে।



