ভোলায় বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক

ভোলায় ঘূর্ণিঝড়ে ইট ভাটায় শত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি, বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক, সরকারি সহায়তার দাবি।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ভোলার শতাধিক ইট ভাটা। নষ্ট হয়েছে প্রায় এক কোটি তৈরি কাঁচা ইট। আর এতে একশ কোটি টাকার অধিক লোকসানে পড়েছেন ভাটা মালিকরা।
অন্যদিকে মালিকদের লোকসানের কারণেন ভাটার কাজ বন্ধ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার শ্রমিক। কাজ না থাকায় অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন তারা। সরকারী সহায়তা চান, ভাটা মালিকরা।
ভোলায় ১শ ২৫ টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছে ৩০টি ভাটা। আবহাওয়া ও পরিবেশের ওপর নির্ভর করে প্রতিবছর বাংলা কার্তিক-আশ্বিণের মাঝামাঝি থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত, ভাটাগুলোয় ইট তৈরির কাজ শুরু হয়।
এবছরও আশ্বিণ মাসে ইট তৈরির কাজ শুরু হয়। কিন্তু হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভারি বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ভাটাগুলোতে প্রায় এক কোটি তৈরি কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়েছে ভাটার জ্বালানী কয়লা।
বিভিন্ন ব্যাংক ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে প্রতি বছরের মত এবারও ইট ভাটার কাজ শুরু করা হয়। হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন ভাটা মালিকরা। তবে সরকারি সহযোগিতা পেলে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন, তারা।
অন্যদিকে ভাটা মালিকদের লোকসানের কারণে কাজ বন্ধ হওয়ায়, বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক। তারাও চান সরকারি সহায়তা।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ভাটা মালিকরা আবেদন করলে কৃর্তপক্ষকে জানানো হবে। এতে হয়তো ব্যাংক কৃর্তপক্ষ ভাটা মালিকদের বিনাসুদে ও দীর্ঘ মেয়াদী ঋন দিতে পারে।
সরকারি সহায়তায় ৩০ হাজার শ্রমিক আবার পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করতে পারবেন এমন প্রত্যাশা সবার।
জুয়েল সাহা বিকাশ, ভোলা প্রতিনিধি



