দেশবাংলা

উন্নয়নের নামে খোঁড়াখুঁড়িতে ধুলোর নগরীতে পরিণত চট্টগ্রাম

উন্নয়নের নামে সড়কে খোঁড়াখুড়ি ও সংস্কারে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এখন ধুলোর নগরীতে পরিণত হয়েছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও যত্রতত্র ইট, বালু সিমেন্টসহ নানা নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখার কারণে, প্রচুর ধুলিকনা সৃষ্ঠি হচ্ছে নগরীতে।

আর এ ধুলোর কারনে প্রতিদিন নিত্য নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন নগরবাসী। দ্রুত বায়ুদুষন থেকে পরিত্রানের দাবি নগরবাসীর। মুলত সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারনেই নগরে এমন দুর্ভোগ, দাবি বিশেষজ্ঞদের। অন্যদিকে সেবা সংস্থাগুলোকে আইনের আওতায় আনার দাবি সিটি মেয়রের।

কেউ হাটছেন নাকে মুখে হাত রেখে, আবার কেউ মুখে মাস্ক পরে। চট্টগ্রামের সবকটি রাস্তাঘাটে এখন যেদিকে চোখ যায় শুধু ধুলো আর বালি  । আর এতে অতিষ্ট নগরবাসী। শুধু সডকেই নয়,সডকের পাশের  গাছপালার পাশাপাশি অধিকাংশ যানবাহনের  রং ও ধু্লোয় মিশে হয়েছে বিবর্ন ।

নগরীর আমবাগান, কদমতলী, নিউমার্কেট, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, জামালখান মোডসহ  সবকটি সডক এখন ধুলোময়। আর এসব দুষিত বাতাসে প্রতিনিয়ত বাডছে রোগবালাই, তাই অতিদ্রুত এই বায়ুদুষন থেকে মুক্তির দাবি নগরবাসীর।

নগর পরিকল্পনাবিদ আসিক ইমরান বলেন, মুলত অপরিকল্পিত নগরায়ন আর সেবা সংস্থাগুলোর দায়বদ্ধতার অভাবে নগরীতে বায়ুদুষনের সৃষ্টি হয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের ।

বায়ু দুষনের কারনে এ্যাজমা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি, ফুসফুস জনিত ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. প্রসূন সাহা।

আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থাকে বায়ুদুষন রোধে নিজ নিজ উদ্যোগ গ্রহন করার পরমর্শ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের।

ওয়াসাসহ সেবা সংস্থাগুলোর সাথে চসিকের কাজের সমন্বয় না থাকায় এমন  জনদুর্ভোগ হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

 আরাফাত কাদের, চট্টগ্রাম

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close