দেশবাংলা

তীব্র শীত আর হিমেল বাতাসে কাঁপছে দেশ, কষ্টে ছিন্নমূল মানুষেরা

তীব্র শীত আর হিমেল বাতাসে কাঁপছে দেশ। আজও তৃতীয় দিনের মত ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশ। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে ভুগছে দিন মজুর আর ছিন্নমূল মানুষেরা।

ক্রমাগত তাপমাত্রা কমতে থাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের জনজীবন। গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগে শিশু-বৃদ্ধসহ শ্রমজীবী ও ছিন্নমুল মানুষগুলো।

টানা তৃতীয় দিনের মত শীতে জবুথবু রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আরও অন্তত দুই দিন শীতের এ তীব্রতা থাকবে। দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতায় চরম দূর্ভোগে সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় সবচে বেশি বিপাকে, তেঁতুলিয়া উপজেলার বাসিন্দারা।

রংপুরে হিমেল হাওয়া আর ঘন-কুয়াশায় চরম দুর্ভোগে ছিন্নমুল মানুষ। গত কয়েক দিনে সেখানে সূর্যের দেখা মেলেনি।  প্রচন্ড ঠান্ডায় মারা গেছে ১ শিশু। এ ছাড়া আগুন জ্বেলে তাপ পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫ জন।

উত্তরের জনপথ দিনাজপুরেও জেঁকে বসেছে শীত। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে গেছে। সবচেয়ে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষেরা।

এদিকে, গেলো তিনদিন ধরে কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। সারাদিনেও এখানে মিলছে না সূর্য্যের দেখা। ফলে, বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

জেলার রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় শীতের প্রকোপ সবচে বেশি। শীতবস্ত্রের অভাবে কাজের সন্ধানে বাইরে যেতে পারছে না দিনমজুর ও শ্রমজিবী মানুষ। গেলো এক সপ্তাহে চরাঞ্চলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ১২ শিশু ও ৬ বৃদ্ধ।

অন্যদিকে, মৌলভীবাজারেও বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা। চা বাগানগুলো ঢাকা পড়েছে কুয়াশার চাদরে। এতে দূর্ভোগে পড়েছে বাগানে বসবাসরত চা শ্রমিকরা। শীতের আগমনে প্রকৃতির আচরণ স্বভাব সুলভ হলেও, চা-শ্রমিকদের জন্য আলাদা কোন বরাদ্দ না থাকায় বেশি বিপাকে এই  স্বল্প আয়ের মানুষগুলো।

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button
Close