ফসলি জমিতে এলোভেরার চাষ

নাটোর জেলার লক্ষীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের অন্তত ১৬টি গ্রামের ফসলি জমিতে চাষ হচ্ছে ভেষজ উদ্ভিদ এলোভেরা। কিন্তু আশানুরুপ দাম না পাওয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। আর কৃষি বিভাগ বলছে, অনুকুল আবহাওয়া ও কৃষকদের এ চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
নাটোর শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লক্ষীপুর খোলাবাড়িয়া ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের ১৬টি গ্রামের ১২টিতে আংশিক ও ৪টি গ্রামে কয়েক হাজার বিঘা জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ হয় এলোভেরা।
১৯৯৫ সালে আফাজ উদ্দীন নামে এক ব্যক্তি প্রথম এলোভেরা গাছের চারা রোপণ করেন লক্ষিপুর খোলাবাড়িয়ায়। দ্রুত এ বর্ধনশীল গাছ দেখে গ্রামের অন্যরাও রোপন করেন। জমিতে চারা রোপণের তিন মাস পর থেকেই তোলা যায় এলোভেরা পাতা।
চাহিদা বেশি হওয়ায় গ্রীষ্মকালে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং বছরের অন্য সময়ে গড়ে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এলোভেরা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ চিকিৎসার কাঁচামাল ও ফারমাসিউটিক্যাল প্রডাক্টে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা।
স্থানীয় বাজার সৃষ্টির পাশাপাশি চাষিদের সবধরনের সুযোগ সুবিধার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের। সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকায় উৎপাদিত এসব এলোভেরা ন্যয্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষকরা।
মেহেদী হাসান, নাটোর প্রতিনিধি



