মরিচের পাতা কুঁকড়ানো রোগে লোকসানের মুখে চাষি

গেলবারের বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে, এবার আগাম মরিচ চাষে আগ্রহী হয়েছেন, মানিকগঞ্জের অনেক কৃষক। তবে, কাঁচা মরিচের পাতা কুঁকড়ানো রোগে লোকসানের মুখে জেলার দুই শতাধিক চাষি। এতে উৎপাদন খরচ ওঠানো নিয়ে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকের কপালে।
কৃষকরা বলছেন, অতিরিক্ত শীত ও ঘন কুঁয়াশার কারনেই এ রোগ হচ্ছে। এদিকে, জমিতে বারবার একই ফসল উৎপাদন না করার পরামর্শ কৃষি বিভাগের।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার উকিয়ারা, গড়পাড়া, রানাদিয়া, গোসাইনগর, বিশ্বনাথপুর, গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মরিচ ক্ষেতে দেখা দিয়েছে, পাতা কুঁকড়ানো রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অন্তত ২শ হেক্টর জমির মরিচ ক্ষেত। আগাম জাতের মরিচ চাষ করে এই ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষীরা।
বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা খরচ করে কৃষকরা এবছর উৎপাদন খরচই ওঠাতে পারছেন না। এছাড়া মরিচও আকারে ছোট হচ্ছে। পুরো ক্ষেত জুড়ে এমন রোগের বিস্তারেও কৃষি বিভাগের পরামর্শ না পাওয়ার অভিযোগ চাষিদের।
এদিকে, সমস্যা সমাধানে জমিতে বারবার একই ফসল উৎপাদন না করার পরামর্শ কৃষি বিভাগের ।
এই রোগে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন এলাকার দুইশরও বেশি চাষী ক্ষতির মুখে পড়েছেন । দ্রুত এর সমাধান না হলে মরিচ চাষে আগ্রহ হারাবেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।
অহিদুর রহমান, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি



