দেশবাংলা

দখলদারদের কবলে খাকদোন নদী

অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়ে ২৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কয়েক হাজার অবৈধ পাকা ও আধাপাকা স্থাপনায় ক্রমশই ছোট হয়ে যাচ্ছে নদীটি। স্থানীয়রা বলছেন, প্রভাবশালীরা নিজেদের ইচ্ছেমতো যে যেভাবে পারছে, প্রতিনিয়ত দখল করছে নদীর দু’পাশ। আর নৌযান চালকরা বলছেন, নদী ছোট হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।

বরগুনার কাঠপট্টি এলাকার পেছনে বিআইডাব্লিউটিএর এই পিলারটি নদীর সীমানা রেখা। সীমানা পিলারের তোয়াক্কা না করে, নদীর পার ভরাট করে আধাপাকা এসব স্থাপনা তৈরি করেছে দখলদাররা। একই অবস্থা ধূপতি, চরকলোনী, মাছবাজার, পৌর সুপার মার্কেট ও ক্রোক থেকে শুরু করে বড়ইতলা পর্যন্ত।

এই ২৪ কিলোমিটার এলাকায় নদীর দুপাশ দিয়ে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার স্থাপনা। সাংবাদিকদের দেখে এভাবেই পালিয়ে যায় দখলদাররা।

স্থানীয়রা বলছেন, এক সময় এই নদীতেই চলাচল করতো বড় বড় লঞ্চ ও পণ্যবাহী জাহাজ। তবে প্রভাবশালী দখলদাররা যে যার মতো করে নদীর দুপাশ দখল দিয়ে নির্মাণ করেছে বসত বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তাই ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে বরগুনার প্রাণ এই খাকদোন নদী।

তবে, এ বিষয়ে একাধিকবার চেষ্টা করলেও বিআইডাব্লিউটিএর কর্মকর্তা মামুনুর রশিদকে পাওয়া যায়নি। তবে জেলার প্রধান অভিভাবক জানালেন, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি হয়ে গেছে। শীগগিরই এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানালেন, বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ।

খাকদোন নদী এক সময় পৌনে এক কিলোমিটার প্রশস্ত ছিল, অবৈধ দখলদারদের কবলে বর্তমানে এই নদীর প্রশন্ত ১৫০ থেকে ২০০ মিটার। অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করে নদীর গতিপথ স্বাভাবিক করার দাবি বরগুনাবাসীর।

বেলাল হোসেন, বরগুনা প্রতিনিধি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button