
দেশের বিভিন্ন নৌরুটে চলাচলে লঞ্চের তৃতীয় শ্রেণিতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করায় ব্যাপকহারে করোনা সংক্রমণের শঙ্কা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের। নির্দেশনা না মানলে জেলা প্রশাসন আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে ভাড়া বাড়াতে চাইছেন লঞ্চ মালিকরা।
করোনার ঝুঁকি থাকলেও স্বাভাবিক সময়ে ঈদের মত যাত্রীরা জায়গা পেলেই শুয়ে বা বসে পরছেন। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কিন্তু যাত্রীদের কোনো বাঁধাও দিচ্ছেন না। কেন্দ্রীয় লঞ্চ মালিক সমিতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হলে যাত্রী কমাতে হবে ফলে ভাড়াও বাড়াতে হবে।
যাত্রীদের অসতর্কতার পাশাপাশি বাড়তি মুনাফার লোভে লঞ্চ কর্তৃপক্ষও বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে সরকারি নির্দেশনাকে। যদিও স্থানীয় প্রশাসন বলছে, সামাজিক দূরত্ব না মানলে শাস্তি পেতে হবে। বিআইডব্লিউটিএর সঙ্গে বৈঠকে আগের ভাড়ায় যাত্রী পরিবহনের ঘোষণা দিলেও, স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রশ্নে সে অবস্থান থেকে সরতে চাইছেন মালিকরা।
ঢাকা বরিশাল নৌরুটে ব্যক্তি মালিকানাধীন লঞ্চের সংখ্যা ২৩টি। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটসহ উপকূলীয় এলাকায় চলাচলকারী লঞ্চের সংখ্যা দুই শতাধিক।



