দেশবাংলা

আশার আলো দেখছেন নাটোরের চামড়া ব্যবসায়ীরা

চামড়াসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্য চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানী সুবিধার ঘোষনায়, দেশের অন্যতম এই রপ্তানী পণ্য নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন, নাটোরের চামড়া ব্যবসায়ীরা।

বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ চামড়া মোকাম নাটোরের ব্যবসায়ীরা, ক্রমাগত লোকসান ও করোনার প্রভাবে পুঁজি হারিয়ে, চীনের এই ঘোষনায় আশার আলো দেখছেন। তবে, ঢাকার ট্যানারী মালিকদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা ফেরৎ পাওয়ার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।

নাটোরে শহরের চকবৈদ্যনাথ এলাকায় গড়ে উঠেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ কাচা চামরা মোকাম। এখানে প্রায় তিনশ আড়ৎসহ রয়েছে, পাচঁশতাধিক ছোট,বড় ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। গেল কয়েক বছর লোকসান, ট্যানারি মালিকদের কাছে বকেয়া না পাওয়া এবং বর্তমান করোনার কারণে চামড়া ব্যবসায় বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

বর্তমানে ক্রেতা না থাকায় অনেক চামড়া পচে নষ্ট হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অনেকেই পুঁজি হারিয়েছেন। আড়তের ব্যবসায়ীদের মতে কয়েক বছরে চামড়ার বাজারের লোকসান অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। সম্প্রতি চামড়াসহ বাংলাদেশের ৫,১৬১ টি পণ্য চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানী সুবিধা পাওয়ায় স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীদের মাঝে নতুন করে আশার আলো জেগেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে দীর্ঘদিন আটকে থাকা কোটি টাকার পুঁজি ফিরে পেলে, গেল কয়েক বছরে ক্রমাগত লোকসান কাটিয়ে কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

বিশ্ববাজারে চামড়াজাত পণ্যের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় চামড়া রপ্তানীর পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য রপ্তানীর দিকে আমাদের নজর দিতে হবে বলে মনে করেছেন, নাটোর এফবিসিসিআই এর পরিচালক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান।

এদিকে, আগামী কোরবানী মৌসুমে নাটোরের চকবৈদ্যনাথের আড়তে  ৬ থেকে ৭ কোটি টাকার চামড়া কেনাবেচার আশা ব্যবসায়ীদের।

মেহেদী বাবু, বাংলাটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button