
সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি কারখানার বর্জ্যের উৎকট দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা।বাতাসের সঙ্গে গন্ধ ছড়িয়ে প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।এতে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকির পাশাপাশি পরিবেশ বিপর্যয়েরও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।ট্যানারির ড্যাম্পিং জোন অন্যস্থানে সরিয়ে নেয়ার দাবী।
সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় বিসিক শিল্প নগরী অবস্থিত।এখানে একশ ৫৫টি ট্যানারি কারখানায় তরল,কঠিন ও বায়বীয় তিন ধরনের বর্জ্য উৎপন্ন হয়।প্রতিদিন উৎপাদিত তরল বর্জ্য পরিশোধনের জন্য কমপক্ষে দুটি শোধনাগার স্থাপনের প্রয়োজন থাকলেও রয়েছে একটি।আবার শোধনাগার সার্বক্ষণিক সচল থাকেনা।এছাড়া নতুন নতুন কারখানা চালু হওয়ায় চামড়া প্রক্রিয়াজাতের সক্ষমতা বেড়েছে।ফলে একটি সিইটিপি দিয়ে সব বর্জ্য পরিশোধন করা সম্ভব হচ্ছেনা।
ছয় একর জমিতে করা ডাম্পিং ইয়ার্ডে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ট্যানারির উৎকৃষ্ট বর্জ্য ফেলা হচ্ছে।সেগুলোর দুর্গন্ধে এলাকাবাসীর টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।এছাড়া চামড়া শিল্প নগরীর বর্জ্য বংশী,ধলেশ্বরী,কালীগঙ্গা,বুড়িগঙ্গা,তুরাগ নদের পানি দূষিত হচ্ছে।আর এ পানি ব্যবহারে অনেকে চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হচ্ছেন।
চামড়া শিল্প নগরীর প্রকল্প পরিচালক ট্যানারির দুর্গন্ধের কথা শিকার করে ড্যাম্পিং জোন অন্যস্থানে সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান।এলাকাবাসীর কথা চিন্তা করে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ ট্যানারির ড্যাম্পিং জোন অন্যস্থানে সরিয়ে নেবে এমন প্রত্যাশা এলকাবাসীর।
বাংলাটিভি/শহীদ



