অন্যান্যবাংলাদেশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুজিববর্ষ

পর্যটন সক্ষমতায় অনেক অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ

নিরাপত্তা ও সুরক্ষা,অবকাঠামো ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে উন্নয়নের মধ্য দিয়ে পর্যটন সক্ষমতায় অনেক অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সর্বশেষ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কমপেটেটিভনেস রিপোর্ট- ২০১৯ অনুযায়ী ২০১৮-১৯ দুই বছরে বৈশ্বিক সক্ষমতায় পাঁচ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১২০তম।  ২০১৭ সালে এটি ছিল ১২৫তম।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে পর্যটন খাত।

স্বাধীন বাংলাদেশকে পর্যটকদের কাছে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ১৪৩ নম্বর আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সৃষ্টিলগ্ন থেকে সংস্থাটি রূপসী বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও পর্যটন আকর্ষণীয় স্থাপনাসমূহ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে প্রচার এবং পর্যটন সেবা প্রদান করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ২০১০ সালে পর্যটনের বিকাশে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড গঠিত হয়।  ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম- ডব্লিউইএফ এর সর্বশেষ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কমপেটেটিভনেস রিপোর্ট- ২০১৯ এ বৈশ্বিক সক্ষমতা পাঁচ ধাপ বেড়ে বাংলাদেশের অবস্থান হয় ১২০তম।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণেই পর্যটনে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ।এ খাতকে ঘিরে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস বলেন, বঙ্গবন্ধু তার দূরদৃষ্টিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত হওয়ার পরও বাংলাদেশের সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।  তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে বড় ভূমিকা রাখতে পারে পর্যটন খাত। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম খাত হবে পর্যটন।
প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটনে বাংলাদেশের অপার সুযোগের কথা উল্লেখ করে, এর সুবাদে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয় ডব্লিউইএফ-এর প্রতিবেদনে।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button