
সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় গণশুনানি করে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শুনবে তদন্ত কমিটি।রোববার(১৬আগস্ট)সকাল থেকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জের কার্যালয়ে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গত বুধবারই সরকারি তদন্ত কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাজাহান আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ গণশুনানির তথ্য জানানো হয়েছিল। সিনহা নিহতের পর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমানকে তদন্ত কমিটির প্রধান এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, শাজাহান আলী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাজ্জাদকে সদস্য করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। এই কমিটিকে প্রথমে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা বলা হলেও,পরে কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সময় আরো সাত দিন বাড়ানো হয়।
কাজ শুরুর পর গত ৪ আগস্ট কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান কক্সবাজারে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘তদন্ত কমিটির আনুষ্ঠানিক কাজ আজ থেকে শুরু হয়েছে। কমিটির প্রথম বৈঠকে তদন্তের কর্মপন্থা ঠিক করা হয়েছে। ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলা হবে। ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থে যেটুকু করা দরকার তদন্ত কমিটি তাই করবে। কমিটি সরেজমিন গিয়ে পরিদর্শন করবে।’
গত ৩১ জুলাই কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে। পরে ৫ আগস্ট নয়জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।
বাংলাটিভি/শহীদ



