
অনলাইনে প্রতারক চক্রের কর্মকান্ড বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে, দেশে আইনের শাসনের দুর্বলতাকে উল্লেখ করছেন, অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।
আর গোয়েন্দা বিভাগ বলছে, প্রতারক চক্রের মধ্যে অবৈধ বিদেশী নাগরিক যেমন রয়েছে, যুক্ত আছে দেশীয় কিছু তরুণও। তাদের ফাঁদ থেকে বাচতে মানুষকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
ফেসবুকে বন্ধুত্ব গড়ে, নানা প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্র এখন বেশ সরব। আইশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে প্রায়ই গ্রেফতার হওয়া এসব বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয় উত্তরা, বনানী আর গুলশানের মতো রাজধানীর অভিজাত এলাকার বাসাবাড়ি।
ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে এসে, বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত হওয়া বিদেশি নাগরিকদের দায়, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষও এড়াতে পারে না, বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রকে নির্মূল করতে কূটনৈতিক উদ্যোগের পরামর্শও তাদের।
এদিকে, গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের সঙ্গে দেশীয় কিছু তরুণেরও যুক্ত থাকার তথ্য তারা পেয়েছেন। তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে, মানুষের সচেতনতাই এসব প্রতারকদের ফাঁদ থেকে বাঁচার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার, বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আরমান কায়সার, বাংলা টিভি



