
তথ্যপাচার ও ঘুষ লেনদেনের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে সকালে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
মামলার ১৭ সাক্ষীর মধ্যে দুইজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার থাকাকালে বিয়ের তথ্য গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ ওঠে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে।
এছাড়াও ২০১৯ সালে ২৪শে জুন সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
এ মামলার তদন্ত চলাকালে ডিআইজি মিজান অভিযোগ করেন, দুদক পরিচালক এনামুল বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৬ই জুলাই মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।



