অন্যান্যবাংলাদেশ

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিশেষ দৃষ্টি সরকারের

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও দুর্যোগ মোকাবিলাসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চলছে সরকার। বর্তমানে ২৫টি মন্ত্রণালয়ে এ ধরনের শতাধিক কর্মসূচি চালু রয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে সরকার ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে- যা মোট বাজেটের প্রায় ১৭ শতাংশ।  প্রতিবছর এ খাতের উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ শতাংশ হারে বাড়ানো হলেও এ বছর বাড়ানো হয়েছে ২০ শতাংশ।

স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক সুদূর প্রসারী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। ধনী গরীবের বৈষম্য দূর করতে তিনি ছিলেন বদ্ধপরিকর।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি, আয় বৈষম্য দূরীকরণও যেকোনো দেশের জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বিবেচনায়, দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির সুফল নিম্নআয়ের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের ২৫ শতাংশ পরিবার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত।

সব মিলিয়ে এক কোটি সাত লাখ ২৬ হাজার মানুষকে সরাসরি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধার আওতায় এনেছে সরকার।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান জানান, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন- তথা আয় বৈষম্য নিরসনে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমে জোর দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ দরিদ্র মানুষের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিশ্চিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার।

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অবস্থার উন্নয়নে, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়িয়ে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে এসেছে সরকার।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button