অন্যান্যবাংলাদেশ

মহামারির ক্ষতিতে দুশ্চিন্তায় পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা

বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ। করোনার কারণে পর্যটন খাতে যে ক্ষতি হয়েছে তা আগামী এক দেড় বছরের মধ্যেও কাটিয়ে উঠা যাবে না বলে সংশয় প্রকাশ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা নিতে পারছেন না তারা। তাই ঘুরে দাড়াতে আর্থিক প্রণোদনা সম্ভব না হলেও সরকারের কাছ থেকে নীতিগত সুবিধা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

করোনার বিরূপ প্রভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের পর্যটন খাতও অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। করোনার কারণে মার্চ মাস থেকে প্রায় পর্যটকশূন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো। বিশ্বব্যাপী লকডাউনের সাথে সাথে পর্যটকের সংখ্যাও দ্রুত হ্রাস পেয়ে এখন তা ন্যূনতম মাত্রায় নেমে এসেছে।

গেল আগস্ট থেকে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত ছন্দে ফিরতে পারেনি এই খাত। যার ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছে এর  সাথে জড়িত অনেক মানুষ। এমন বাস্তবতায় আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -টোয়াবের প্রথম সহ সভাপতি শিবলুল আজম কোরেশী বলেন, পর্যটন খাত পুরোপুরি সচল হতে আরো সময় লাগবে। একই অভিমত ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ- ট্রিয়াব এর সভাপতি খবির উদ্দিন আহমেদেরও।

তারা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যটন খাতকে ঝুঁকিপূর্ণ খাত বিবেচনায় করায়, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধাও পাচ্ছেন না তারা।

করোনা পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটলে আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পাবে বৈশ্বিক পর্যটন। তাই সংশ্লিষ্টরা বলছেন এ সুযোগকে কাজে লাগাতে এই সময়ের মধ্যেই দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে কাজ করা দরকার।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button