
ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় বড় ভূমিকা রাখছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। সারাদেশের প্রায় পাঁচ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপিত এই তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক কেন্দ্র নতুন মাত্রা যোগ করেছে। উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে জনগণের দ্বোরগোড়ায় সরকারের সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ শুধু দেশেই নয় সারা বিশ্বেও সাফল্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি সারাদেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে নজর দেন। অর্থনৈতিক সমতা ও মুক্তি নিশ্চিতে নানা উদ্যোগ নেন তিনি। তার আদর্শ বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ নেয় বর্তমান সরকার।
প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারি সেবা পৌছে দিতে দেশের ৪৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয় ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। ২০১০ সালে চালু হওয়া এসব ইউনিয়ন তথ্য ও সেবাকেন্দ্রে পাওয়া যাচ্ছে ২০০ ধরনের সেবা। উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সরকারি সেবা তৃণমূলে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিতও হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশব্যাপী ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোগকে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে সবাই।
তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেয়া তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সরকারের দূরদর্শীতায় তা মোকাবিলা করেছেন তারা।
এদিকে, সংশ্লিষ্টরা মনে করেন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও সরকারি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার যে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ তার ভিত্তিই গড়ে দিয়েছে এই ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার।
আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি



