অপরাধবাংলাদেশ

মৃত্যুদণ্ডের বিধানেই কি বন্ধ হবে ধর্ষণ?

মানবাধিকার কর্মীরা মনে করেন, শুধু ধষর্ণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করলেই ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এরজন্য প্রয়োজন ধর্ষিতার সঠিক বিচার নিশ্চিত করা এবং মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে আনা।

তারা বলছেন, অপরাধ নিয়নন্ত্রণ করতে না পারলে সমাজে ধর্ষণ কমবে না। এ ছাড়া প্রভাবশালীদের কারণে ধর্ষণের মামলায় সাক্ষী না পাওয়া সুষ্ঠু বিচারের ক্ষেত্রে বড় বাধা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধুকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনসহ আরও কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনায়, সম্প্রতি বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সারাদেশ। এসবের প্রতিবাদে রাজধানীসহ সারাদেশ থেকে, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করার দাবি ওঠে।

এরই প্রেক্ষিতে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড করে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নেতারা বলছেন, আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করলেই ধর্ষণ বন্ধ হবে না। বরং নিশ্চিত করতে হবে ধর্ষণের যথাযথ বিচার এবং সংশোধন করতে হবে আইনের অন্যান্য দুর্বলতাগুলো।

মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, মনে করেন, মৃত্যুদণ্ডের বিধানের ফলে বরং ধর্ষণের সঠিক বিচার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। একই মত, বেসরকারি সংগঠন হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এর সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোর্শেদেরও। তিনি মনে করছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য এর আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে নজর দিতে হবে।

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতাকে ধর্ষণ বন্ধ না হওয়ার বড় কারণ- উল্লেখ করে,  সরকারের ওপর এর দায় চাপান এই আইনজীবী।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি, ঢাকা

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button