অন্যান্যবাংলাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে প্রান্তিক জনপদেও

গেল এগারো বছরে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এই সময়ে সারাদেশে মোবাইলফোনের সংযোগ সংখ্যা বেড়েছে ১১ কোটিরও বেশি।

দেশব্যাপী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে জনগণ ঘরে বসেই তাদের মৌলিক নাগরিক সেবাসহ নানা রকম সেবা পাচ্ছে। বাংলাদেশে মোবাইলফোন এখন শুধু প্রত্যন্ত এলকায়ই পৌঁছায়নি, এর ব্যবহারকারী এখন সব শ্রেণির মানুষ।

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে আধুনিক ও উন্নত বিশ্বের একটি দেশে পরিণত করা। সেই অনুযায়ী দেশ স্বাধীনের পর সেই আমলেই তিনি নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন দেশের প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে।

২০০৮ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জাতি গঠনের উদ্যোগ নেয় আওয়ামী লীগ সরকার।  ২০১১ সালে প্রায় প্রতিটি উপজেলায় মোবাইলফোনের ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

গেল জুনে প্রকাশিত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ কমিশন- বিটিআরসি’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ নাগাদ দেশে মোবাইলফোন সংযোগের সংখ্যা ১৬ কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজারে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে শুধু টেলিযোগাযোগ খাতেই নয়, জনমানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সোপানটাও বঙ্গবন্ধুই তৈরি করেছিলেন- যা অনেকেরই অজানা। তিনি আরও বলেন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সেবা খাত- এমনকি, সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রেও ডিজিটাল বাংলাদেশের যে রূপান্তর ঘটেছে, তা উদাহারণ হিসেবে নিতে পারে যেকোনো দেশ।

বর্তমানে দেশের অর্থনীতির এক বড় চালিকাশক্তি হয় উঠেছে টেলিযোগাযোগ খাত। মোবাইলফোন আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নানাভাবে ভূমিকা রেখে চলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আগামীতে আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে টেলিযোগাযোগ খাত।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button