
রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থীকে। এসময় তাদের কাছ থেকে বেশকিছু সেক্স টয় ও প্রচুর পরিমাণে ভিডিও উদ্ধার করা হয়। এই তিন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতারের পর পুলিশের ডিজিটাল ফরেনসিক টিম বলছে, এই চক্রের টার্গেট ৯ থেকে ১৮ বছরের কিশোরী। তারা শিশু পর্নোগ্রাফির সঙ্গে জড়িত।
সম্পর্কের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে তাদের দিয়ে অশালীন ভিডিও তৈরি করে তা আদান প্রদান চলে। এরপর তা চলে যায় সাইবার জগতে।
ডিএমপি’র ডিজিটাল ফরেনসিক ইউনিটের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘ফেইক নাম দিয়ে বা কখনো সমকামী সেজে বিভিন্ন ভিডিও তারা কালেক্ট করে নিতো। এই কন্টেন্টগুলো পার্টিকুলার কিছু ফেইক ইন্স্টাগ্রাম গ্রুপ আছে সেখানে তারা শেয়ার করে।
এই গ্রুপগুলো চাইল্ড পর্নোগ্রাফির ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ। শেয়ার কেন্দ্রিক বাদানুবাদের পর এই ভিকটিমগুলো তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।’ গ্রেপ্তার তিন শিক্ষার্থীর অসংখ্য বিদেশি সব পর্নোসাইটে রেজিস্ট্রেশন করা।
ইশতিয়াক আহমেদ আরো বলেন, ‘সাইবার প্যারেন্টিং এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। আপনার সন্তান সাইবার ওয়ার্ল্ডে সারফেস ওয়েবে আছে নাকি ডার্ক ওয়েবে বিচরণ করছে এটি নিয়ে আপনার সন্তানকে যদি যথেষ্ট পরিমাণ সচেতন না করতে পারেন তাহলে দু-একটি ইনসিডেন্ট রেসপন্স করে আমরা পুুলিশ এটা কমাতে পারবো না।’
গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সেই সঙ্গে এই চক্রের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তার তদন্ত চলছে।



