অন্যান্যবাংলাদেশ

ব্যবহার বাড়ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের; রাজস্ব পাচ্ছে সরকার

বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর অন্যতম মহাকাশে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ। যা দেশের জন্য একটি মাইলফলক। উৎক্ষেপণের পর থেকেই এর ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও, এ স্যাটেলাইট ব্যবহার করতে শুরু করেছে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান। যার ফলে লাভবান হতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে একটি সুখী, সমৃদ্ধি রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর মধ্যে বেশ কিছু খাতে তার উদ্যোগ ছিল গভীর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন।

বঙ্গবন্ধু তাঁর দূরদর্শী চিন্তা থেকেই স্যাটেলাইট স্থাপন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

বঙ্গবন্ধু গৃহীত ও বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোই আজকের আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মূল প্রেরণা। সেই প্রেরণা থেকেই ২০১৮ সালের ১২ মে বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু-১’ স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করে বর্তমান সরকার। যার বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে  লাভবান হতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

অত্যাধুনিক এই জিওস্টেশনারি যোগাযোগ স্যাটেলাইট বাংলাদেশ ছাড়াও এই অঞ্চলে থাকা বিভিন্ন দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। দেশের সরকারি-বেসরকারি সব টিভি চ্যানেল এবং রেডিও স্টেশন স্যাটেলাইটটির ব্যবহার করছে পূর্ণমাত্রায়। এছাড়াও বেশ কিছু রাস্ট্রায়ত্ব সংস্থা, আধা-সামরিক ও সামরিক বাহিনী এর সুফল পাচ্ছে।

বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ড. শাহাজাহান মাহমুদ বলেন, এটি তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল- যা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও তার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঠিক তত্ত্বাবধানে। আগামীতে এ স্যাটেলাইট ব্যবহারের পরিধি বাড়ানোর জন্য কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানালেন, দুর্গম এলাকায় যোগাযোগে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের ভূমিকার কথা। বর্তমানে দেশের তরুণরাই এ স্যাটেলাইট পরিচালনা করছেন- জানিয়ে, একে দেশের জন্য গর্বের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তারা।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button