
গণমাধ্যম ছাড়াও সারাবিশ্বে তথ্য আদান প্রদানে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে এখন ব্যবহার হচ্ছে ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এসব মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে ঘটছে সহিংস ঘটনা। মাধ্যমগুলোর অপব্যবহার বন্ধে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরী ও আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
গণমাধ্যমের বাইরে দেশে-বিদেশে কী ঘটছে, সেগুলো ফেসবুক, টুইটারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে পেয়ে যাচ্ছে সবাই। এর মধ্য দিয়ে তথ্য বিনিময়ের শক্তিশালী প্লাটফর্ম হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক এসব মাধ্যম।
তবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর বেশির ভাগই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা না থাকায় এসব মাধ্যমে গুজব বা বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যার মত নৃশংস ঘটনা ঘটছে।
এ প্রসঙ্গে মনোবিজ্ঞানী বেদুইন হায়দার লিও বলেন, তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি হলেও মানুষের মধ্যে নীতি নৈতিকতা বোধ জাগ্রত হয়নি। আর তাই সহিংসতার লাগাম টানা যাচ্ছে না।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের মতে সাম্প্রদায়িক বিষয় নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক থেকে জন্ম নেয় বিদ্বেষ। এ থেকে সৃষ্টি হয় সামাজিক সহিংসতা।
আর পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক শহিদুল হক বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে সৃষ্ট সহিসংতা বন্ধে আরো কঠোর আইনের পাশাপাশি, এসব মাধ্যম ব্যবহারে সুষ্ঠু নীতিমালা তৈরী এখন সময়ের দাবি।
বিশ্বায়ন আর শিল্পায়নের যুগে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা মানবীয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক দূরত্বকে পুরোপুরি দূর করে দিলেও এর অপব্যবহার বেড়েছে বহুগুনে। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
শাহরিয়ার রাজ, বাংলা টিভি



