অন্যান্যবাংলাদেশ

রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অর্থনীতি চাঙ্গা রাখায় চ্যালেঞ্জ

সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার শেষ বছরে, মহামারি কোভিডের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করে দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখাই সবচে বড় চ্যালেঞ্জ  ছিল বলে মনে করেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম।  আর, কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আরো সতর্ক না হলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হবে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ড.মোস্তাফিজুর রহমান।

সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদকাল শেষে বেশকিছু অর্জন হলেও, করোনার প্রভাবে অধরাও থাকছে অনেকগুলো খাত।  ২০১৬ সালে শুরু হওয়া এ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিগত দিনে তুলনামূলক ভালো থাকলেও, শেষ বছরে তার ছন্দপতন ঘটে।

এ সময়ে, বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনার প্রভাবে অনেক ক্ষেত্রে আশানুরূপ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অর্জিত লক্ষ্যমাত্রাও হারাতে হয়। কোভিডের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় নানা খাতে প্রণোদনা দিতে হয় সরকারকে।

এ অবস্থায়, রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আরো সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ড.মোস্তাফিজুর রহমান। আর গ্রোথ বাড়াতে স্থানীয় ও আর্ন্তজাতিক বাজার প্রতিযোগিতামূলক করার কথা বলছেন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম।

তবে, করোনা সংকটে গোটাবিশ্ব থমকে গেলেও, দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করলেন, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। এমন কি, অভ্যন্তরীণ অর্থায়ন পর্যাপ্ত না হলেও, লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চেষ্টার ঘাটতি ছিল না বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, রাজস্ব আয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হলেও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রের অগ্রগতিতে সফলতা এসেছে বলেও দাবি করেন ড. আলম।।

করোনা মহামারিতে উল্লেখযোগ্য সফলতাগুলো হলো: জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের ওপরে, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি উন্নয়নশীল দেশের শর্ত পূরণ, মাথা পিছু আয় সর্বোচ্চ।

করোনা মহামারির মধ্যে ব্যর্থতাগুলো হলো:  রপ্তানি,রেমিট্যান্স ও জিডিপির অনুপাতে রাজস্ব আয় কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি। দারিদ্র্যের হার কমানো,শিক্ষার হার,শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়নি, জাতীয় সঞ্চয়,অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা অধরা।

হাকিম মোড়ল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button