
বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যআয়ের দেশে উন্নীত করতে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। যার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
আর, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাকে রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের মূল সোপান বলে আঙ্খায়িত করেছেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম।
২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কর্ম পরিকল্পনার রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে সরকার। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে, ‘রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে রূপরেখা: বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-৪১’- শীর্ষক এই রূপরেখার বাস্তবায়ন শুরু হবে। আর, বাকি তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তা চূড়ান্ত হবে।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম জানান, প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ১২টি অধ্যায়ের মধ্যে যেমন শিল্প ও বাণিজ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো বিষয় রয়েছে; তেমনি রয়েছে সুশাসন, মানব উন্নয়ন, জলবায়ূ পরিবর্তন ও পরিবেশের মতো বিষয়গুলোও।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশ, আর ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) বাস্তবায়ন পরিমাপ- এই দুটি কারণে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা ক’রে, গ্রাম-শহরের বৈষম্যসহ সব ধরনের বৈষম্য দূর করার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলেও জানান এই পরিকল্পনাবিদ।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের প্রেক্ষিত পরিকল্পনাগুলো হলো: ২০৪১ সালে মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।২০৩১ সালে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৯ শতাংশ। ২০৪১ সালে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৯ শতাংশ।
হাকিম মোড়ল, বাংলা টিভি



