অন্যান্যবাংলাদেশ

ডিসেম্বরের দ্বিতীয় দিন: কোণঠাসা হতে থাকে পাকবাহিনী

মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের দ্বিতীয় দিন আজ। একাত্তরের এই সময়েই দেশকে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে উদ্ধার  করে, চিরমুক্তির সন্ধানে সামনে এগোতে থাকে বাংলার দামাল ছেলেরা। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা দখল করে মুক্তি বাহিনী। এতে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর বাড়তে থাকে চাপ; কোনঠাসা হতে থাকে পাকবাহিনী।

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে ঢাকা শহরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে মুক্তিকামী দামাল ছেলেরা। গেরিলা আক্রমণ থেকে সম্মুখযুদ্ধের গতি বাড়তে থাকে।

নভেম্বরের শেষ দিকেই ত্রিমুখী যুদ্ধের আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠে। সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানিরা সমরসজ্জা বাড়ালে, ভারতও যুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে থাকে। সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে সীমান্ত এলাকায়। আখাউড়া, পঞ্চগড়, কামালপুর, সমশেরনগর ও পার্বত্য চট্টগ্রামের মুক্তিবাহিনীর সাথে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রচন্ড সংঘর্ষ হয়।

সেই সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তরঙ্গপুর ক্যাম্প থেকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল। সেই দলে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সবুর। জানান সেদিনের অভিজ্ঞতার কথা। পুরো দেশজুড়েই তখন চলছিল গণপ্রতিরোধ। প্রতিদিনই মুক্তিবাহিনীর কাছে নাস্তানাবুদ হতে থাকে পাক বাহিনী।

মুক্তিবাহিনীর সাথে একের পর এক সংঘর্ষে মনোবল হারিয়ে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহায্যের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে চিঠি পাঠান। অন্যদিকে অদম্য সাহস আর প্রবল দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে যেতে থাকে তাদের আসন্ন বিজয়ের অভেদ্য লক্ষ্যে।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button