খেলাধুলাফুটবল

কঠিন হয়ে গেলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে টিকে থাকা

২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ের ফিরতি লেগের ম্যাচে কাতারের কাছে ৫-০ গোল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাতে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে টিকে থাকাটা এক প্রকার কঠিনই হয়ে গেলো জামাল ভূঁইয়াদের। কারণ ৬ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট মাত্র এক। আর কাতারিয়ানদের অর্জন ১৬।

মাত্র ২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি আব্দুল্লাহ বিন খলিফা স্টেডিয়ামে। তাতেই মাঠ জুড়ে ছিলো প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকদেরই আধিপত্য। কিন্তু মাঠের পারফর্মেন্সে ছাপ রাখতে পারেননি জামাল ভূঁইয়ারা। ম্যাচের তিন মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো কাতার। ভাগ্যই ছিল একমাত্র সহায়। অ্যাটাক করতেও পিছপা হয়নি সফরকারীরা।

তবে বাস্তবতায় রূপ পায়নি কৌশলের কারণে। ৯ মিনিটে এগিয়ে যায় কাতার। মিডফিল্ডার আবদেল আজিজ হাতিমের গোলে এগিয়ে যায় তারা। দুই মিনিট বাদে ব্যবধান দ্বিগুণের চেষ্ঠা কাতারিয়ানদের। আহাম্মেদ আলাদিনের হেডে এ যাত্রায় প্রতিহত করেন, ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামা গোলরক্ষক জিকো।

এরপর থেকেই ব্যস্ত সময় পাড় করেন তিনি। বাংলাদেশের রক্ষণে বারবার আঘাত হানে তারা। কখনো-বা জিকো কখনো-বা ভাগ্যের কারণে, বারবার বেঁচে যায় জামাল ভূঁইয়ারা। ২২ মিনিটে ফ্রি কিকও কাজে লাগাতে পারেন দলটি। সাত মিনিট পরে জামালের নেয়া কর্ণার কিকটিও দেখেনি সফলতার মুখ। রক্ষণ কতোটা বাজে, তার দৃশ্যমান হয় ৩৩ মিনিটে, যখন স্ট্রাইকার আকরাম আফিফ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্বাগতিকদের।

বিরতির পরও একই চিত্র। পুরো মাঠ জুড়ে ছিলো কাতারিয়ানদের আধিপত্য। ৬২, ৬৫ মিনিটে অসাধারণ ট্যাকেল গোলরক্ষক জিকোর। আর সুফিল-ইব্রাহীমদের ভুল পাসের মহড়ায় মেজাজই হারিয়ে ফেলেন কোচ। সময় যতো যাচ্ছিলো, নিজেকে ভালোই প্রমাণ করছিলেন গোলরক্ষক জিকো। দৃঢ়তার সাথে প্রতিহত করেন কাতারিনায়দের বেশ কিছু অ্যাটাক।

কিন্তু ৭০ এবং ৭৯ মিনিটে ভড়কে গেলেন তিনি। পরপর দু’বার বল গেলো বাংগালীদের জালে। তাতেই ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০। ইনজুরির সময়ে আরেক গোল, তাতে ৫ গোলের বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।

মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি, কাতার

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button