বাংলাদেশঅন্যান্য

শৃঙ্খলায় বাড়ছে কক্সবাজার সৈকতের সৌন্দর্য

প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন রাখার উদ্যোগে, স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে বিশ্বে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের সৌন্দর্য। সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়ানোসহ পর্যটনবান্ধব নানা উদ্যোগে খুশি পর্যটকরাও। পরিবেশকর্মীরা বলছেন, কক্সবাজারের পর্যটনকে আরও এগিয়ে নিতে এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

সাধারণত প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। তবে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দীর্ঘ সময় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ায় পরিবেশের জন্য তা যেন ইতিবাচক হয়ে দাঁড়ায়।

সারাদেশে লকডাউনে মানুষ যখন ঘরবন্দী- ঠিক তখনই, প্রকৃতি যেন ফেলে স্বস্তির নিশ্বাস। এ সময়ে, জনশূন্য সৈকতে আপন মহিমায় নিজের চিরচেনা রূপে জেগে ওঠে প্রকৃতি। তবে গেল আগস্টের মাঝামাঝি সময় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়ার পর, শীতের শুরু থেকেই বাড়তে থাকে পর্যটকের ভিড়।

কিন্তু তার মাঝেও সৈকতের পরিবেশ এখনও স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক ভাল। এক সময় যেখানে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যেত, সে দৃশ্য এখন যেন খুব একটা চোখে পড়ে না। জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের উদ্যেগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত সৈকতের বর্জ্য পরিস্কারে কাজ করছেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ জানায়, পর্যটকদের নিরাপত্তা দেয়ার পাশাপাশি- বীচ এলাকা নোংরা না করতে সবাইকে সচেতন করছে তারা। এতে পর্যটকদের মাঝেও বেড়েছে সচেতনতা।

আর পরিবেশকর্মীরা মনে করছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হবে কক্সবাজার। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের এ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারলে, দেশে বিদেশি পর্যটকের আগমনও বাড়বে বলে মনে করছেন, সংশ্লিষ্টরা।

আসাদ রিয়েল, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button