অর্থনীতিঅন্যান্যবানিজ্য সংবাদবাংলাদেশ

পিছিয়ে দেশের বীমা খাত, আস্থা ফিরিয়ে আনার তাগিদ

গত প্রায় পাঁচ দশকের পথচলায় দেশের অর্জনের তালিকা খুব ছোট নয়।  বরং গর্ব করার মতও রয়েছে অনেক অর্জন। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি খাত, তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্স এর ভুমিকা অনবদ্য হলেও অন্য দেশের তুলনায় যোজন যোজন পিছিয়ে রয়েছে ইন্সুরেন্স সেক্টর। দেশীয় অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় ইন্সুরেন্স এর ভুমিকা নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন খোদ খাত সংশ্লিষ্টরাও।

বাংলাদেশে বীমা শিল্পের সূত্রপাত স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭৩ সালে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা করপোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। বীমা করপোরেশন ষষ্ঠ আইন অনুসরণে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এ দুটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়।  প্রশ্ন হচ্ছে, স্বাধীনতা পরবর্তী ৫০ বছরে বাংলাদেশের বীমা শিল্প কোন অবস্থায় দাড়িয়ে আছে…?

 ১৯৮৪ সালে সরকার প্রথমবারের মতো ব্যক্তি খাতকে বীমার সব ক্ষেত্রে ব্যবসার অনুমতি দেয়।  এর মাধ্যমে দেশের প্রায় পৌনে ২ কোটি মানুষ বিভিন্ন ধরনের বীমা সুবিধার আওতায় আসেন। যদিও এখনো অনেকেই বীমা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক বীমা বাজারে মন্দাবস্থার মধ্যেও বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে এর কিছুটা প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু, সময়ের পরিক্রমায় তা খুবই নগন্য।

এ অবস্থায়, দেশের বীমা ব্যবস্থায় সাধারণের আস্থা ফেরাতে, কাগজ-কলমের হিসেব থেকে বেরিয়ে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি তুলে ধরার সময় হয়েছে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button