বানিজ্য সংবাদঅর্থনীতিবাংলাদেশ

ওএমএসের কলেবর বৃদ্ধি করেছে সরকার

২০২১ সালের ১ফেব্রুয়ারি,হতে ওএমএসের আওতায় ঢাকা মহানগরে ভ্রাম্যমান ৪টি ট্রাকের মাধ্যমে মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাকপ্রতি দৈনিক আরও ৩ মে.টন করে ১২ মে.টন চাল বিক্রি করছে খাদ্য মন্ত্রণালয়াধীন খাদ্য অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য যে,ওএমএস খাতে ঢাকা মহানগরে এ,বি,সি ক্যাটাগরি ভিত্তিতে ১২৪টি বিক্রয়কেন্দ্রে দৈনিক ১-১.৫ মেট্রিক টন আটা এবং ১ মেট্রিক টন চাল বিক্রয় হয়ে আসছে। একইসাথে শ্রমঘন ৪টি জেলায় (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুর) মোট ১৪৭ টি কেন্দ্রে দৈনিক ২ মেট্রিক টন করে আটা এবং ১ মেট্রিক টন করে চাল বিক্রয় হয়ে আসছে। এছাড়াও অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরে মোট ৪৩২ টি বিক্রয় কেন্দ্রে দৈনিক ১ মেট্রিক টন করে চাল এবং ১ মেট্রিক টন করে আটা বিক্রয় হয়ে আসছে।

এছাড়াও ইনোভেশন কার্যক্রম এর আওতায় সচিবালয় প্রাঙ্গণে দৈনিক ২ মেট্রিক টন এবং মতিঝিল ও আজিমপুর এলাকায় দৈনিক কেন্দ্র প্রতি ১ মোট্রিক টন করে প্যাকেট আটা বিক্রয় করা হচ্ছে। ভারত থেকে মোট ১লক্ষ ১১হাজার ৫২০মেট্রিক টন চাল দেশে পৌঁছেছে।

দেশে আসতে শুরু করেছে আমদানিকৃত চাল। গত ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ভোমরা, দর্শনা, বেনাপোল, সোনা মসজিদ, হিলি, বুড়িমারি, বাংলাবান্দা, শেওলা সহ দেশের বিভিন্ন স্থল বন্দর দিয়ে বেসরকারিভাবে মোট ৫৬ হাজার ৩শত ৯১ মেট্রিক টন চাল দেশে পৌঁছেছে। এছাড়া সরকারিভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আওতায় ৫৫ হাজার ১শত ২৯ মেট্রিকটন টন চাল দেশে পৌঁছেছে। সর্বমোট ১লক্ষ ১১হাজার ৫২০মেট্রিক টন চাল দেশে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির জন্য গত ৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ১০জন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১ লক্ষ ৫ হাজার মেট্রিক টন, ৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ১২ জন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১লক্ষ ৬০হাজার মেট্রিক টন এবং ৫ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে ৭জন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৬৫ হাজার মেট্রিক টন, ৬ জানুয়ারি,২০২১ তারিখে ৪৯ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের  অনুকূলে ১ লক্ষ ৭৪হাজার ৫০০ মেট্রিক টন, ১০ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে ৬৪ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের  অনুকূলে আরো ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৫শত মেট্রিক টন, ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৭২ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের  অনুকূলে আরও ১লক্ষ ৪১হাজার মেট্রিক টন চাল, ১৩ জানুয়ারি ৪৩ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১লক্ষ ৬হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং ১৭ জানুয়ারি ৬৩ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৯১ হাজার মেট্রিক টন চাল সর্বমোট ৩২০ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১০লক্ষ ১৪হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল বেসরকারি পর্যায়ে আমদানির জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের  অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান করে আমদানির অনুমতি প্রদানের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

বরাদ্দ পত্র ইস্যুর ৭দিনের মধ্যে বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে এল.সি খুলে এ সংক্রান্ত তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়। ৫ হাজার মেট্রিক টন বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীগণকে এল.সি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং সর্বমোট ২০ দিনের মধ্যে সমুদয় চাল এবং ১০-১৫ হাজার মেট্রিক টন বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীগণকে এল.সি খোলার ১৫ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং সর্বমোট ৩০ দিনের মধ্যে সমুদয় চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে মর্মে খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এলসি খোলার সময়সীমা ৩১জানুয়ারি, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। অদ্য ৩১জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এক অফিস আদেশে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এলসি খোলার সময়সীমা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে নির্দেশনা জারি করা হয়।

খাদ্যশস্যের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ, নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি শুল্ক ৬২.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার।সেই ধারাবাহিকতায় খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বেসরকারিভাবে চাল আমদানি জন্য বৈধ আমদানিকারকগণকে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ ১০ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখের মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে বলা হয়।

বাংলাটিভি/শহীদ

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button