খেলাধুলাফুটবল

ঘরোয়া ক্লাব পারফরমেন্সের প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক ম্যাচে

ঘরোয়া ক্লাবের খেলায়, জাতীয় ফুটবলারদের পারফরমেন্স সন্তোষজনক না হওয়ায় প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক ম্যাচে। চলতি মৌসুমেও, ঘরোয়া ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ গোলদাতাদের তালিকায় বিদেশি খেলোয়াড়দের নাম। বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলা দেশি তারকা ফুটবলারদের গোলসংখ্যা বিদেশি স্ট্রাইকার চেয়ে অর্ধেকেরও কম।

সাবেক জাতীয় খেলোয়াড়রা বলছেন, স্থানীয় ফুটবলারদের মাঝে প্রতিযোগিতায় গোল করার মুন্সিয়ানার অভাব রয়েছে। পারফরমেন্সে ধারাবাহিতা আনতে, মনোযোগ বাড়ানোর তাগিদ বাফুফের।

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর, বিপিএল। যেখান বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে অংশ নেন জাতীয় দলের সব তারকা খেলোয়াড়রাই। কিন্তু গোলের খেলায়, খুব একটা চমক দেখা যায় না জীবন-সাদ-সবুজ-কিংবা ইব্রাহিম-সুফিলদের। চলতি বিপিএলের প্রথম লেগে হয়েছে ২৩২টি গোল।

কিন্তু সেরা দশে থাকা স্কোরারদের মধ্যে, মাত্র দুইজনের জাতীয় দলের। একজন স্ট্রাইকার সুমন রেজা, অন্যজন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। তাদের গোল সংখ্যা ৬। যেখানে, তালিকায় প্রথমস্থানে আছেন ১২টি করে গোল করা ব্রাজিলের রবসন ডি সিলভা এবং দ্বিতীয়স্থানে গাম্বিয়ার ওমর জাবে।

জাতীয় দলে খেলোয়াড়দের গোল খড়ার বড় প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে। সেইসাথে দায় গিয়ে পড়ে, বাফুফের কর্মপরিকল্পনার ওপর। অথচ একযুগ আগে, ২০০৯/১০ মৌসুমে ঢাকা আবাহনীর জার্সিতে ২১ গোল করে, স্ট্রাইকার এনামুল হক ছিলেন সর্বোচ্চ স্কোরার।

সময়ের ব্যবধানে, ক্লাব ফুটবলে বিদেশি ‍স্ট্রাইকার নিয়ে মাতামাতিই কি সুচারু ঘরোয়া খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্রে ঘাটতির কারণ? দেশের সাবেক ফুটবলাররা বলছেন, গোলখরা কাটাতে হলে,লোকাল খেলোয়াড়দেরকে আরো উদ্বুদ্ধ করতে হবে ।

জাতীয় দলের খেলোয়াড় বাছাইয়ে ফুটবলাররা যখন পড়ে থাকেন গোলখরায়, তখন আশাহত হয় সবাই। তাই ফুটবলের উন্নয়নে খেলোয়াড়দের আরো মনোযোগী করার আহবান সংশ্লিষ্টদের।

মোহাম্মদ হাসিব, বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button