অর্থনীতিদেশবাংলাবানিজ্য সংবাদবাংলাদেশ

সীমান্তের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে সোনা মসজিদ স্থলবন্দর

সীমান্তের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ, পুরো দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনা মসজিদ স্থলবন্দর। ২০০৬ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে স্থলবন্দরটি চালু হওয়ার পর,এ এলাকার শ্রমজীবীদের কাজের চিন্তা নেই বললেই চলে। সীমান্ত ঘেঁষা শাহবাজপুর ও দায়পুকুরিয়া,এ দুই ইউনিয়নের, প্রায় ৫ হাজার দিনমজুর ফলমুল,গম,ভূট্টা,মসলা,বিভিন্ন কৃষিপণ্য,পাথর,কয়লা,জ্বালানি তেলসহ, বিভিন্ন পণ্য ভারতীয় ও দেশীয় ট্রাকে ওঠা-নামার কাজ করছেন।

এই একটি স্থলবন্দরই এখন উপার্জনের ভরসা প্রায় ৫ হাজার দিনমজুরের। স্থলবন্দরের প্রভাব পড়েছে তাদের জীবনযাত্রার মানে। তারা এখন স্বপ্ন দেখছেন উন্নত, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ জীবন গঠনের। স্থলবন্দর চালু হওয়ার আগে চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ও দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ বিভিন্ন চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো। নিজেদের কাজের জায়গা তৈরি হওয়ায় এসব ছেড়েছেন তারা।

এখানকার নিবন্ধিত শ্রমিকরা গত ৮ বছর ধরে এ স্থলবন্দরে কাজ করে জীবনের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এদিকে,শ্রমিকদের জন্য বীমার দাবি জানিয়ে মেসার্স সিয়াম এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী বলেন,বিমার ব্যবস্থা করতে পারলে আমদানী-রফতানী কার্যক্রম গতিশীল হবে এবং এতে তাদের পরিবারও সুরক্ষা পাবে।

শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল,ফায়ার সার্ভিস ও বিমার বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করার কথা জানান,সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ম্যানেজার এবং সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক।

মুঠোফোনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১আসনের সংসদ সদস্য জানান,শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিবেচনায় ইতোমধ্যে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসাপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং আগামীতে তাদের বীমা চালুর বিষয়ে চিন্তা করা হবে।

২০২০-২১ অর্থবছরে সোনামসজিদ স্থলবন্দর থেকে ৪৮১ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এবছর বন্দর সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন রাজস্ব আদায় ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

ডেস্ক রিপোর্ট/বাংলা টিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button